দেশের স্বাস্থ্যসেবাকে তৃণমূল পর্যায়ে আরও শক্তিশালী, গতিশীল ও আধুনিকায়ন করার লক্ষ্যে এক বিশেষ সম্মেলনে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ শনিবার বেলা ১১টার দিকে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাদের (ইউএইচএফপিও) নিয়ে আয়োজিত এই গুরুত্বপূর্ণ সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে অংশ নেন তিনি।
স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয় আয়োজিত এই সম্মেলনের মূল লক্ষ্য হলো সরকারি স্বাস্থ্যসেবাকে সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া। মাঠ পর্যায়ের স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের কার্যক্রমকে সময়োপযোগী ও আরও জনবান্ধব করে তুলতে সরকারের সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা সরাসরি চিকিৎসকদের কাছে পৌঁছে দিতেই এই বৃহৎ পরিসরের আয়োজন। বিশেষ করে প্রান্তিক মানুষের চিকিৎসা নিশ্চিত করতে উপজেলা পর্যায়ের হাসপাতালগুলোর সেবার মান বৃদ্ধিতে প্রধানমন্ত্রীর এই অংশগ্রহণ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। এটিই উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর প্রথম আনুষ্ঠানিক বৈঠক।
সম্মেলনের বিশেষ এক পর্যায়ে স্বাস্থ্যখাতে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ শ্রেষ্ঠ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাদের সম্মাননা প্রদান করা হয়। জরুরি সেবা ক্যাটাগরিতে মনোনীত ছয়জন চিকিৎসককে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে বিশেষ ‘ক্রেস্ট’ তুলে দেওয়া হয়। সম্মাননাপ্রাপ্ত এই মেধাবী চিকিৎসকরা হলেন- ডা. শোভন কুমার, ডা. আল মোরশেদ, ডা. মুজিবুর রহমান, ডা. সাজিদ হাসান, ডা. সুমন ক্লান্তি সাহা এবং ডা. তাসনিম জুবায়ের। পেশাগত দক্ষতা ও নিষ্ঠার মাধ্যমে তাঁরা নিজ নিজ কর্মস্থলে জরুরি স্বাস্থ্যসেবা প্রদানে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।
উক্ত সম্মেলনে সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত থেকে প্রধানমন্ত্রীর এই উদ্যোগকে স্বাগত জানান। এ সময় মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মোহাম্মদ কামরুজ্জামান চৌধুরী, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক প্রভাতচন্দ্র বিশ্বাস, স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন এবং স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী এম এ মুহিত। এ ছাড়া সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও দেশজুড়ে কর্মরত উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা এ সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেন। সম্মেলনে বক্তারা তৃণমূলের স্বাস্থ্য অবকাঠামো উন্নয়ন ও চিকিৎসকদের পেশাগত মানোন্নয়নে সরকারের গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা তুলে ধরেন।
ডেস্ক রিপোর্ট, দেশ মিডিয়া।