৯ হাজার রানের ক্লাবে পঞ্চম বাংলাদেশি লিটন

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তিন ফরম্যাট মিলিয়ে ৯ হাজার রানের মাইলফলক স্পর্শ করেছেন বাংলাদেশের উইকেটকিপার-ব্যাটার লিটন দাস। আবুধাবিতে আফগানিস্তানের বিপক্ষে একমাত্র টেস্টের চতুর্থ দিনে দ্বিতীয় ইনিংসে প্রয়োজনীয় রান তুলে এ কীর্তি গড়েন তিনি। বাংলাদেশের পঞ্চম ব্যাটার হিসেবে এই মাইলফলকে পৌঁছালেন লিটন।

টেস্ট শুরুর আগে তিন ফরম্যাট মিলিয়ে লিটনের রান ছিল ৮ হাজার ৯২৯। প্রথম ইনিংসে করেন ৫৩ রান। ফলে ৯ হাজার রানের ক্লাবে প্রবেশ করতে তাঁর প্রয়োজন ছিল আর ১৮ রান। দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে সেই লক্ষ্য পূরণ করেন তিনি।

আগের দিন ৫ রান নিয়ে অপরাজিত ছিলেন লিটন। চতুর্থ দিনে ব্যাটিংয়ে নেমে আরও ১৩ রান যোগ করেন তিনি। ইনিংসের ৭৬তম ওভারের শেষ বলে জিয়া উর রহমানের বলে এক রান নিয়ে ৯ হাজার আন্তর্জাতিক রানের মাইলফলক স্পর্শ করেন এই ডানহাতি ব্যাটার।

লিটনের আগে বাংলাদেশের হয়ে তিন ফরম্যাট মিলিয়ে ৯ হাজার রান করেছেন মুশফিকুর রহিম, তামিম ইকবাল, সাকিব আল হাসান ও মাহমুদউল্লাহ। এই চার ব্যাটারের পর এবার সেই তালিকায় যুক্ত হলো লিটনের নাম।

দুইবার জীবন পেয়ে ফিফটি

আফগানিস্তানের বিপক্ষে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিংয়ের সময় দুবার আউট হওয়ার হাত থেকে বেঁচে যান লিটন। ১৪ ও ২৬ রানে তাঁর ক্যাচ ছাড়েন কায়েস আহমেদ। প্রথমবার স্লিপে কামাল ক্যাচ নিতে ব্যর্থ হন। পরে কায়েস নিজেও ক্যাচ ধরতে পারেননি। দ্বিতীয় ঘটনায় তাঁকে ব্যথায় কাতরাতে দেখা যায়।

সুযোগগুলো কাজে লাগিয়ে ইনিংস এগিয়ে নেন লিটন। ৬১ বলে পূর্ণ করেন অর্ধশতক। এটি ছিল তাঁর টানা দ্বিতীয় ইনিংসে ফিফটি। বাউন্ডারি মারার সুযোগও কাজে লাগিয়েছেন তিনি।

তিন ফরম্যাটে লিটনের পরিসংখ্যান

টেস্ট ক্রিকেটে লিটনের মোট রান এখন ৩ হাজার ৪০৯। এ সংস্করণে তাঁর সেঞ্চুরি ছয়টি এবং হাফ সেঞ্চুরি ২২টি।

ওয়ানডেতে লিটনের সংগ্রহ ২ হাজার ৮৬৯ রান। এ ফরম্যাটে পাঁচটি সেঞ্চুরির পাশাপাশি ১৪টি হাফ সেঞ্চুরি করেছেন তিনি।

টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের হয়ে সবচেয়ে বেশি ১২৪টি ম্যাচ খেলেছেন লিটন। এ সংস্করণে তাঁর রান ২ হাজার ৭০৪। এখন পর্যন্ত টি-টোয়েন্টিতে কোনো সেঞ্চুরি না থাকলেও রয়েছে ১৬টি হাফ সেঞ্চুরি।

তিন ফরম্যাটে ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের মধ্য দিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নিজের অবস্থান আরও শক্ত করেছেন লিটন দাস। ৯ হাজার রানের মাইলফলক তাঁর ক্যারিয়ারে যোগ করল আরেকটি উল্লেখযোগ্য অর্জন।

ডেস্ক রিপোর্ট, দেশ মিডিয়া।