আমজনতার দলের মহাসচিব তারেক রহমানের পিতা আব্দুল লতিফ আর নেই। বুধবার (৪ মার্চ) পবিত্র ইফতারের ঠিক আগ মুহূর্তে বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তিনি বার্ধক্যজনিত নানাবিধ শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন।
বুধবার সন্ধ্যায় এক আবেগঘন ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে নিজের ভেরিফাইড পেজে বাবার মৃত্যুর খবরটি নিশ্চিত করেন তারেক রহমান। ওই পোস্টে তিনি লেখেন, ‘আমার বাবা জনাব আব্দুল লতিফ আজ ইফতারের আগে বগুড়ার শহীদ জিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।’ তাঁর এই পোস্টে মুহূর্তেই শোকের ছায়া নেমে আসে এবং দলের নেতাকর্মীসহ সাধারণ মানুষ সমবেদনা জানাতে শুরু করেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, আব্দুল লতিফ দীর্ঘ দিন ধরেই বার্ধক্যজনিত অসুস্থতার কারণে শয্যাশায়ী ছিলেন। সম্প্রতি তাঁর শারীরিক অবস্থার উল্লেখযোগ্য অবনতি ঘটলে চিকিৎসকদের পরামর্শে তাঁকে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। নিবিড় পর্যবেক্ষণে থাকা অবস্থায় বুধবার সন্ধ্যার ঠিক আগে তিনি ইহলোক ত্যাগ করেন।
এদিকে আব্দুল লতিফের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন আমজনতার দলের শীর্ষ স্থানীয় নেতৃবৃন্দসহ দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতারা। পৃথক পৃথক শোকবার্তায় তাঁরা মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন। তাঁরা বলেন, আব্দুল লতিফের প্রয়াণে পরিবারটি একজন অভিজ্ঞ অভিভাবককে হারালো।
মরহুমের জানাজা ও দাফন প্রক্রিয়া নিয়ে বিস্তারিত তথ্য জানিয়েছেন তারেক রহমানের চাচা রেজাউল করিম। তিনি জানান, বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) দুই দফা জানাজা শেষে তাঁকে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হবে। নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হবে তাঁর আদি নিবাস বগুড়ার সাবগ্রাম ইউনিয়নের চান্দপাড়া জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে। এরপর দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হবে বাদ জোহর বগুড়া শহরের লতিফপুর এলাকার ঐতিহ্যবাহী শাহসুলতান কলেজ প্রাঙ্গণে। জানাজা পরবর্তী আনুষ্ঠানিকতা শেষে লতিফপুর কবরস্থানে তাঁকে দাফন করার কথা রয়েছে।
ডেস্ক রিপোর্ট, দেশ মিডিয়া।